0
জবখবর · JobKhobor
⚡ লাইভ
এনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়মNID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইডজন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৬ — মোবাইল ও কম্পিউটারে ধাপে ধাপেচাকরির আবেদনের ছবি ও স্বাক্ষর সাইজ করার নিয়ম — ৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০ পিক্সেল (মোবাইলে ও কম্পিউটারে)নতুন পোস্ট প্রতিদিন — চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবার যাচাই করা তথ্যএনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়মNID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইডজন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৬ — মোবাইল ও কম্পিউটারে ধাপে ধাপেচাকরির আবেদনের ছবি ও স্বাক্ষর সাইজ করার নিয়ম — ৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০ পিক্সেল (মোবাইলে ও কম্পিউটারে)নতুন পোস্ট প্রতিদিন — চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবার যাচাই করা তথ্য
ভোটার ও এনআইডি

NID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইড

NID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইড

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) একটি বানান ভুলও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে নাম মিলছে না, পাসপোর্টের আবেদনে জন্ম তারিখে গরমিল, চাকরির নথি যাচাইয়ে পিতার নামে অমিল — এমন অভিজ্ঞতা বহু মানুষেরই আছে। সান্ত্বনার কথা, এসব ভুল এখন আর নির্বাচন অফিসে দিনের পর দিন ঘুরে ঠিক করতে হয় না। নির্বাচন কমিশনের অনলাইন সেবা পোর্টাল services.nidw.gov.bd থেকে ঘরে বসেই সংশোধনের আবেদন করা যায়। এই গাইডে আবেদনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো — কোন তথ্য সংশোধন করা যায়, কোন সংশোধনে কোন কাগজ লাগে, ফি কত, কত দিন সময় লাগতে পারে, আবেদন বাতিল হলে কী করতে হবে এবং অনুমোদনের পর নতুন কার্ড কীভাবে ডাউনলোড করতে হয়।

সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩ নভেম্বর ২০২৬। ফি ও প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তথ্য আবেদনের সময় পোর্টালে দেখানো নির্দেশনাই — নিয়ম বদলালে পোর্টালের তথ্যই প্রযোজ্য হবে।

এক নজরে পুরো প্রক্রিয়া

  • কোথায় আবেদন: services.nidw.gov.bd — অ্যাকাউন্ট খুলে লগইন করে প্রোফাইলের Edit অপশন থেকে
  • যা যা লাগবে: এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ, সচল মোবাইল নম্বর, NID Wallet অ্যাপে ফেস ভেরিফিকেশন, সংশোধনের পক্ষে প্রমাণপত্রের স্ক্যান কপি
  • ফি: কার্ডে ছাপা তথ্য সংশোধনে প্রথমবার ২৩০ টাকা, অন্যান্য তথ্যে ১১৫ টাকা (ভ্যাটসহ) — বিস্তারিত টেবিল নিচে
  • সময়: সংশোধনের ধরন ও আবেদনের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিন্ন হয়; সাধারণ ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, জটিল ক্ষেত্রে তার বেশি
  • সাহায্য: এনআইডি হেল্পলাইন ১০৫ (সরকারি কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা)

এই লেখায় যা যা আছে

  • কোন কোন তথ্য সংশোধন করা যায়
  • আবেদনের আগে যা প্রস্তুত রাখবেন
  • ধাপে ধাপে অনলাইনে আবেদনের নিয়ম — ফেস ভেরিফিকেশনসহ
  • কোন সংশোধনে কোন কাগজপত্র লাগে
  • সংশোধনের ফি — একটি পূর্ণাঙ্গ টেবিলে
  • আবেদনের ক্যাটাগরি, নিষ্পত্তির সময় ও আগস্ট ২০২৬-এর নতুন নিয়ম
  • আবেদনের স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম
  • আবেদন বাতিল হলে করণীয় ও আপিলের পথ
  • সংশোধনের পর নতুন এনআইডি ডাউনলোড এবং সচরাচর করা ভুলসমূহ

কোন কোন তথ্য সংশোধন করা যায়

পোর্টালে যেসব তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যায়, সেগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগে রয়েছে কার্ডে ছাপা হওয়া তথ্য — নিজের নাম (বাংলা ও ইংরেজি), পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ এবং জন্মস্থান। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে কার্ডে সরাসরি ছাপা হয় না এমন সংরক্ষিত তথ্য — পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মোবাইল নম্বর, পাসপোর্ট নম্বরসহ অন্যান্য বিবরণ। ফি ও যাচাইয়ের কড়াকড়ি এই দুই ভাগে আলাদা: ছাপা তথ্যের সংশোধনে প্রমাণপত্র বেশি গুরুত্ব পায়, কারণ এই তথ্য দিয়েই সব জায়গায় পরিচয় যাচাই হয়।

দুটি বিষয় আলাদা করে জানা জরুরি। ঠিকানা বদলানো আর ভোটার এলাকা স্থানান্তর এক বিষয় নয় — বসবাসের ঠিকানা বদলালে শুধু ঠিকানা সংশোধন লাগে, কিন্তু ভোটার তালিকায় এলাকা বদলাতে হলে স্থানান্তরের (মাইগ্রেশন) আলাদা প্রক্রিয়া রয়েছে, যেখানে ফরম-১৩ ব্যবহৃত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অফিসে যেতে হয়। আর ছবি পরিবর্তনের মতো কিছু সেবা অনলাইনে পুরোপুরি সম্পন্ন হয় না; সেগুলোর জন্য উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি আবেদন করতে হতে পারে।

প্রতিটি ধরনের বিস্তারিত গাইড আলাদাভাবে দেওয়া আছে — এনআইডি কার্ডে নাম সংশোধন করার নিয়ম, পিতা-মাতার নাম সংশোধন করার নিয়ম ও ঠিকানা সংশোধন করার নিয়ম।

আবেদনের আগে যা প্রস্তুত রাখবেন

  • এনআইডি নম্বর ও কার্ডে থাকা জন্ম তারিখ। পুরনো ১৩ সংখ্যার নম্বর হলে সামনে জন্মসাল যোগ করে ১৭ সংখ্যার আকারে ব্যবহার করতে হয় — যেমন জন্মসাল ১৯৯০ হলে ১৯৯০ যোগ করে পূর্ণ নম্বরটি তৈরি হয়
  • সচল একটি মোবাইল নম্বর — যাচাইয়ের OTP এই নম্বরেই আসবে
  • ক্যামেরাসহ স্মার্টফোনে NID Wallet অ্যাপ (Google Play Store থেকে) — ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য
  • সংশোধনের পক্ষে প্রমাণপত্রের পরিষ্কার স্ক্যান কপি বা ছবি — মূল কপি থেকে স্ক্যান করা, অস্পষ্ট বা কাটা ছবি বাতিলের বড় কারণ
  • ফি পরিশোধের মাধ্যম — বিকাশ, রকেট বা নগদ অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালান্স
  • পাসওয়ার্ড ও আবেদন নম্বর সংরক্ষণের ব্যবস্থা — একটি খাতায় লিখে রাখা বা নিরাপদ জায়গায় সেভ করা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হলো তথ্যের মিল যাচাই। যে তথ্যটি ঠিক করতে চাইছেন, প্রমাণপত্রে সেই তথ্য হুবহু একই বানান ও আকারে আছে কিনা দেখে নিন। উদাহরণস্বরূপ, এসএসসি সনদে নামের বানান এক রকম আর জন্ম নিবন্ধনে আরেক রকম থাকলে আবেদন আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে — এমন ক্ষেত্রে আগে কোন নথিটি সংশোধন করা দরকার, সেটি ঠিক করে তারপর আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

ধরন অনুযায়ী প্রস্তুতির পূর্ণ চেকলিস্ট পাবেন এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে লেখায়।

ধাপে ধাপে অনলাইনে আবেদনের নিয়ম

ধাপ ১ — পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন: ব্রাউজার থেকে services.nidw.gov.bd ঠিকানায় গিয়ে রেজিস্ট্রেশন অপশন বেছে নিন। এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে ক্যাপচা পূরণ করে সাবমিট করলে পরের পর্দায় বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। এরপর সচল মোবাইল নম্বর দিলে সেটিতে ছয় সংখ্যার OTP আসবে — কোডটি বসিয়ে নম্বর যাচাই করুন। শুধুমাত্র অফিসিয়াল ডোমেইনের সাইট ব্যবহার করুন; একই ধরনের নামের ভুয়া সাইটে এনআইডি নম্বর ও OTP দিলে তথ্য চুরির ঝুঁকি থাকে।

ধাপ ২ — ফেস ভেরিফিকেশন: মোবাইল যাচাইয়ের পর পর্দায় একটি QR কোড দেখা যাবে। ফোনে NID Wallet অ্যাপ খুলে সেই কোড স্ক্যান করলে ক্যামেরা চালু হবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী চোখের পলক ফেলতে ও ধীরে ধীরে ডানে-বামে তাকাতে হবে। মুখের ছবি কার্ডের ছবির সঙ্গে মিলে গেলে যাচাই সম্পন্ন হয়। এই ধাপেই সবচেয়ে বেশি মানুষ আটকে যান। ব্যর্থ হলে পর্যাপ্ত আলো আছে এমন জায়গায় যান, চশমা ও টুপি খুলে ফেলুন, ক্যামেরা স্থির রেখে ধীরে নির্দেশনা মানুন — বারবার ব্যর্থ হলে ভিন্ন আলোতে আবার চেষ্টা করুন। যাচাই শেষে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করে অ্যাকাউন্ট তৈরি সম্পন্ন করুন।

ধাপ ৩ — প্রোফাইলে তথ্য এডিট: লগইন করলে নিজের সব তথ্যসহ প্রোফাইল দেখা যাবে। Edit অপশনে গিয়ে যে ক্ষেত্রগুলো বদলাতে চান, সেগুলোর পাশে টিক দিয়ে সঠিক তথ্য লিখুন। এখানে একটি সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ: একাধিক ভুল থাকলে সবগুলো একই আবেদনে ঠিক করুন। আলাদা আলাদা আবেদন করলে প্রতিবার নতুন করে ফি দিতে হয় এবং বারবার আবেদনে ফি-র হারও বাড়ে।

ধাপ ৪ — ফি পরিশোধ: এডিট শেষে পোর্টাল আপনার সংশোধনের ধরন অনুযায়ী ফি-র পরিমাণ দেখাবে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পরিশোধের পরিচিত পথটি হলো বিকাশ অ্যাপের Pay Bill থেকে সরকারি ফি → NID Service বেছে নিয়ে এনআইডি নম্বর দিয়ে পেমেন্ট করা; রকেট ও নগদেও একই সেবায় ফি জমা দেওয়া যায়। পোর্টালের বাইরে কারো ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা পাঠাবেন না — দালাল বা মধ্যস্থতাকারীকে দেওয়া অর্থের কোনো হিসাব পোর্টালে থাকে না। পেমেন্টের রসিদ ও ট্রানজেকশন নম্বর সংরক্ষণ করুন।

ধাপ ৫ — কাগজপত্র আপলোড: প্রতিটি সংশোধনের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র আপলোড করুন (কোন সংশোধনে কোন কাগজ — পরের অংশে টেবিল আকারে দেওয়া আছে)। প্রতিটি ফাইল মূল নথি থেকে পরিষ্কারভাবে স্ক্যান করা হতে হবে; লেখা পড়া যায় না এমন ছবি আপলোড করলে আবেদন বাতিল হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

ধাপ ৬ — সাবমিট ও আবেদন নম্বর সংরক্ষণ: সব তথ্য শেষবার মিলিয়ে দেখে আবেদন সাবমিট করুন। সফলভাবে জমা হলে আবেদনের কপি ডাউনলোড করে রাখা যায়। আবেদন নম্বর, পাসওয়ার্ড ও পেমেন্টের তথ্য একসঙ্গে সংরক্ষণ করুন — স্ট্যাটাস দেখা, পরে কার্ড ডাউনলোড এবং কোনো সমস্যায় অফিসে যোগাযোগ, সব কাজেই এগুলো লাগবে। শুধু ফি পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হয় না; সাবমিট সম্পন্ন হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে তবেই প্রক্রিয়া শেষ ভাবুন।

কোন সংশোধনে কোন কাগজপত্র লাগে

প্রমাণপত্রই সংশোধন আবেদনের ভিত্তি। যে নথি আগে জারি হয়েছে এবং যেটি অনলাইনে যাচাই করা যায়, তার গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলকভাবে বেশি। সংশোধনের ধরন অনুযায়ী সাধারণত যেসব কাগজ লাগে:

সংশোধনের ধরনপ্রধান প্রমাণপত্র
নিজের নামএসএসসি বা সমমানের সনদ, অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট (যা আছে)। নামের বড় পরিবর্তন হলে হলফনামা ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি চাওয়া হতে পারে
জন্ম তারিখএসএসসি বা সমমানের সনদ সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ; এরপর জেএসসি সনদ ও অনলাইন জন্ম নিবন্ধন। এসএসসি না থাকলে জন্ম নিবন্ধনসহ বয়সের অন্যান্য সরকারি প্রমাণ
পিতা-মাতার নামনিজের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন, পিতা-মাতার এনআইডি কপি, নিজের শিক্ষাগত সনদ। সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই বা শুনানি হতে পারে
স্বামী/স্ত্রীর নামবিবাহের ক্ষেত্রে কাবিননামা ও স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি; বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা
ঠিকানাবিদ্যুৎ বিল, হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ, বাড়িভাড়ার চুক্তি বা রশিদ, প্রয়োজনে চেয়ারম্যান/কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন
রক্তের গ্রুপস্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট

এই তালিকা সাধারণ নির্দেশনা; সংশোধনের জটিলতা অনুযায়ী পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারে। আবেদনের পর অতিরিক্ত কাগজ চাওয়া হলে তা বার্তার মাধ্যমে জানানো হয় এবং পোর্টালেই আবার আপলোড করে পুনরায় জমা দেওয়া যায়।

প্রমাণ হিসেবে লাগা জন্ম নিবন্ধনের কপি সংগ্রহের নিয়ম জানতে দেখুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম।

সংশোধনের ফি কত টাকা

ফি নির্ধারিত হয় দুটি বিষয়ের ওপর — সংশোধনটি কার্ডে ছাপা তথ্যের নাকি অন্যান্য তথ্যের, এবং এটি কততম বারের আবেদন। সরকারি মূল ফি-র ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ হয়; যেমন কার্ডের তথ্যের মূল ফি ২০০ টাকার সঙ্গে ভ্যাট মিলে প্রথমবার দিতে হয় ২৩০ টাকা। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে দুই ধরনের সংখ্যা দেখা যায় মূলত এই ভ্যাট হিসাবের কারণেই। ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকাটি হলো:

সংশোধনের ধরনপ্রথমবারদ্বিতীয়বারতৃতীয়বার বা তার বেশি
কার্ডে ছাপা তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম ইত্যাদি)২৩০ টাকা৩৪৫ টাকা৫৭৫ টাকা
অন্যান্য তথ্য (ঠিকানা, রক্তের গ্রুপসহ সংরক্ষিত তথ্য)১১৫ টাকা১৭৫ টাকা৩০০ টাকা
কার্ড পুনঃইস্যু (হারানো বা নষ্ট হলে)৩৪৫ টাকা৫৭৫ টাকা১,১৫০ টাকা

একই আবেদনে দুই ধরনের সংশোধন একসঙ্গে থাকলে দুই অংশের ফি যোগ হয় — যেমন প্রথমবার নাম (২৩০ টাকা) ও ঠিকানা (১১৫ টাকা) একসঙ্গে ঠিক করলে মোট ৩৪৫ টাকা। আবার এই হিসাবই বলে দেয়, ভুলগুলো আলাদা আলাদা আবেদনে ভাগ করা কেন ব্যয়বহুল: দ্বিতীয়বারের আবেদনে হার বেড়ে যায়। সবশেষ কথা — পোর্টালের পর্দায় আপনার আবেদনের জন্য যে পরিমাণ দেখানো হবে, সেটিই চূড়ান্ত; ফি-র হার সরকারি সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে।

ফি-র পূর্ণ তালিকা, ভ্যাটের হিসাব ও পেমেন্টের ধাপ বিস্তারিত পাবেন এনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা লেখায়।

আবেদনের ক্যাটাগরি, নিষ্পত্তির সময় ও নতুন নিয়ম

জমা পড়া আবেদনগুলো জটিলতা অনুযায়ী ক, খ, গ ও ঘ — এই চার ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। সহজ ও স্বল্পপরিবর্তনের আবেদন (ক ক্যাটাগরি) উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার পর্যায়ে নিষ্পত্তি হয়; জটিলতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্তের ক্ষমতা জেলা, আঞ্চলিক এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক পর্যন্ত যায়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত সংশোধনের আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ৭১ হাজার, যার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে প্রায় ৬৪ লাখ ৪৩ হাজার — অর্থাৎ আবেদনের চাপ বিশাল, এবং ক্যাটাগরি অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য স্বাভাবিক।

সময়ের কোনো নির্দিষ্ট গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব নয়। সাধারণ সংশোধনে প্রায়ই ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা শোনা যায়, সহজ ক্ষেত্রে তার আগেও হয়; নাম বা জন্ম তারিখের বড় পরিবর্তনের মতো ক্ষেত্রে যাচাই, প্রয়োজনে শুনানি বা তদন্ত হতে পারে বলে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগা অস্বাভাবিক নয়। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট দিনে সংশোধন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন — নিষ্পত্তির সময় একমাত্র নির্ভর করে আবেদনের ক্যাটাগরি ও যাচাইয়ের ওপর।

আগস্ট ২০২৬-এর নতুন নিয়ম — জন্ম তারিখ সংশোধনে স্বস্তি: নির্বাচন কমিশনের আগস্ট ২০২৬-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, এসএসসি বা সমমানের সনদের ভিত্তিতে জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদন এখন ক ক্যাটাগরিতে রেখে উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তাই নিষ্পত্তি করতে পারবেন। আগে এই ধরনের আবেদন ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে যেত বলে সময় অনেক বেশি লাগত। দুটি সীমা মনে রাখা দরকার: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদন এই সুবিধার বাইরে — সেটি মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে; এবং নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম ও জন্ম তারিখ — তিনটির সম্পূর্ণ পরিবর্তন একসঙ্গে চাইলেও আবেদন মহাপরিচালক পর্যায়েই যাবে। এই নির্দেশনার পর জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদন করার সময় শিক্ষাগত সনদটি অনলাইনে যাচাইযোগ্য কিনা, তা আগেই নিশ্চিত হয়ে নেওয়া সুবিধাজনক।

আগস্ট ২০২৬-এর নিয়মটি শুধু জন্ম তারিখের ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এনআইডি কার্ডে জন্ম তারিখ সংশোধন করার নিয়ম লেখায়।

আবেদনের স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম

আবেদন জমা দেওয়ার পর অবস্থা জানার মূল মাধ্যম পোর্টাল নিজেই। services.nidw.gov.bd-তে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে প্রোফাইলের আবেদনসংক্রান্ত অংশে গেলেই চলমান আবেদনের অবস্থা দেখা যায় — আবেদনটি যাচাইয়ের কোন পর্যায়ে আছে, অতিরিক্ত কাগজ চাওয়া হয়েছে কিনা, কিংবা নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা। অনুমোদন হলে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে ১০৫ নম্বর থেকে SMS-ও আসে। আবেদন দীর্ঘদিন একই অবস্থায় আটকে থাকলে প্রথমে হেল্পলাইন ১০৫-এ ফোন করে আবেদন নম্বর দিয়ে অবস্থা জেনে নিন; সমাধান না হলে আবেদন নম্বর ও কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। অপরিচিত কোনো ওয়েবসাইট বা ব্যক্তিকে স্ট্যাটাস দেখার জন্য এনআইডি নম্বর ও OTP দেবেন না।

প্রতিটি স্ট্যাটাসের অর্থ ও পরবর্তী করণীয় বিস্তারিত আছে এনআইডি সংশোধন আবেদনের স্ট্যাটাস চেক লেখায়।

আবেদন বাতিল হলে করণীয়

বাতিল হওয়া মানে পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। কমিশনের হিসাবেই নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের মধ্যে ১৩ লাখের বেশি আবেদন বিভিন্ন কারণে বাতিল হয়েছে — অর্থাৎ এটি একটি সাধারণ ঘটনা, এবং সঠিক কারণ জানলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আবার পথ খোলা যায়। বাতিলের প্রধান কারণগুলো হলো: আপলোড করা কাগজ অস্পষ্ট বা অপাঠ্য; দাবির পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ না থাকা; এক নথির তথ্যের সঙ্গে অন্য নথির গরমিল; বড় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হলফনামা বা অতিরিক্ত প্রমাণ না দেওয়া; এবং কোনো ক্ষেত্রে তথ্যে অসংগতি বা জালিয়াতির সন্দেহ।

বাতিল হলে প্রথম কাজ হলো কারণটি নির্দিষ্টভাবে জানা — পোর্টালে আবেদনের অবস্থার পাশাপাশি অফিসে যোগাযোগ করেও কারণ জানা যায়। এরপর ঘাটতি পূরণের প্রস্তুতি নিন: যে প্রমাণ দুর্বল ছিল তার বদলে শক্তিশালী বা অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করুন, নথিগুলোর মধ্যে গরমিল থাকলে কোনটি আগে ঠিক করা দরকার তা নির্ধারণ করুন। সংশোধন প্রবিধানমালায় বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে; সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী বাতিলের পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগের কথা বলা হয়েছে — সময়সীমা ও আপিলের নির্দিষ্ট ধাপ আবেদনের আগে স্থানীয় নির্বাচন অফিস বা হেল্পলাইন ১০৫-এ মিলিয়ে নেওয়া জরুরি, কারণ আপিল সাধারণত পরবর্তী ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে (উপজেলায় বাতিল হলে জেলায়, জেলায় হলে আঞ্চলিক পর্যায়ে) করতে হয়। আপিলের বদলে ঘাটতি মিটিয়ে নতুন করে আবেদন করাও একটি পথ, তবে সেক্ষেত্রে ফি আবার দিতে হয় এবং বারবার আবেদনে হার বাড়ে — কোন পথটি আপনার ক্ষেত্রে ভালো, সেটি অফিসের পরামর্শ নিয়ে ঠিক করুন।

আপিলের ধাপ, সময়সীমা ও আপিলপত্র সাজানোর নিয়ম বিস্তারিত পাবেন এনআইডি সংশোধনের আবেদন বাতিল হলে করণীয় লেখায়।

সংশোধনের পর নতুন এনআইডি ডাউনলোড

আবেদন অনুমোদিত হলে সংশোধিত তথ্যের এনআইডি অনলাইন কপি পোর্টাল থেকেই পাওয়া যায়। নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে প্রোফাইলে গিয়ে Download অপশনে ক্লিক করলেই সংশোধিত কার্ডের PDF কপি ডাউনলোড হয় — এই কপি দৈনন্দিন বেশিরভাগ যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা যায়। ডাউনলোড করা কপিতে তথ্য ঠিকঠাক এসেছে কিনা সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন; ভুল থেকে গেলে দেরি না করে অফিসে জানান। মনে রাখতে হবে, অনলাইন কপি আর ছাপানো স্মার্ট কার্ড এক নয়: সংশোধিত স্মার্ট কার্ড ছাপা ও বিতরণের প্রক্রিয়া আলাদা এবং এতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হলে সাধারণত SMS-এ জানানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

ডাউনলোডের ধাপে ধাপে নিয়ম ও অনলাইন কপি বনাম স্মার্ট কার্ডের পার্থক্য দেওয়া আছে সংশোধনের পর এনআইডি কার্ড ডাউনলোড লেখায়।

NID card correction online — ইংরেজি সার্চকারীদের জন্য সারসংক্ষেপ

অনেকে Google-এ "nid card correction online bd" বা "how to correct nid card in bangladesh" লিখে সার্চ করেন। তাঁদের জন্য মূল কথাটি একই: correction application must be submitted through the Election Commission's official portal services.nidw.gov.bd, after registration and face verification with the NID Wallet app. Fees start at ৳230 for card information and ৳115 for other information (VAT included, first application), documents depend on what is being corrected, and the corrected copy can be downloaded from the same account after approval. কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে আবেদন করা যায় না — বাকি সব গাইড শুধু পথ দেখায়, আবেদন হয় একমাত্র অফিসিয়াল পোর্টালে।

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  • সব ভুল এক আবেদনে না করা: আলাদা আলাদা আবেদন মানেই বারবার ফি, আর প্রতিবার হার বেশি
  • অস্পষ্ট স্ক্যান আপলোড: বাতিলের সবচেয়ে সাধারণ কারণ; মূল কপি থেকে ভালো আলোয় স্ক্যান করুন
  • নথির মধ্যে তথ্যের গরমিল রেখে আবেদন: সনদ ও জন্ম নিবন্ধনে বানান আলাদা হলে আগে মিলিয়ে নিন
  • শুধু ফি দিয়েই কাজ শেষ মনে করা: সাবমিট নিশ্চিত না হলে আবেদন সম্পূর্ণ হয় না
  • আবেদন নম্বর ও পাসওয়ার্ড না রাখা: স্ট্যাটাস, ডাউনলোড, আপিল — সবকিছুতেই এগুলো লাগে
  • দালালের কাছে যাওয়া: পোর্টালের বাইরে পরিশোধিত অর্থের কোনো হিসাব থাকে না; নির্দিষ্ট সময়ে করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও ভিত্তিহীন
  • ভুয়া ওয়েবসাইটে তথ্য দেওয়া: ঠিকানা যাচাই করুন — অফিসিয়াল সেবা শুধু nidw.gov.bd ডোমেইনে

সচরাচর জিজ্ঞাসা

এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে?
কার্ডে ছাপা তথ্যের জন্য প্রথমবার ২৩০ টাকা, অন্যান্য তথ্যের জন্য ১১৫ টাকা (ভ্যাটসহ)। দ্বিতীয়বার থেকে হার বাড়ে — টেবিলটি ওপরের ফি অংশে দেওয়া আছে। পোর্টালে দেখানো পরিমাণই চূড়ান্ত।

nid card সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে?
নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া নেই। সাধারণ সংশোধনে কয়েক সপ্তাহ (প্রায়ই ১৫–৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা শোনা যায়), জটিল সংশোধনে ক্যাটাগরি অনুযায়ী তার বেশি সময় লাগতে পারে।

এসএসসি সনদ না থাকলে জন্ম তারিখ সংশোধন করা যাবে?
যাবে, তবে প্রমাণ হিসেবে অনলাইন জন্ম নিবন্ধনসহ বয়সের অন্যান্য সরকারি নথি দিতে হবে এবং যাচাই তুলনামূলক কঠিন হতে পারে। অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি/এসএসসি সনদ থাকলে আগস্ট ২০২৬-এর নিয়মে আবেদন উপজেলা পর্যায়েই নিষ্পত্তি হতে পারে।

ফেস ভেরিফিকেশন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে, কী করব?
ভালো আলোতে, চশমা-টুপি ছাড়া, ক্যামেরা স্থির রেখে আবার চেষ্টা করুন। ফোনের ক্যামেরা পরিষ্কার করে NID Wallet অ্যাপ আপডেট করে নেওয়াও কাজে দেয়। তারপরেও না হলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

আবেদন বাতিল হলে আবার আবেদন করা যাবে?
যাবে। বাতিলের কারণ জেনে ঘাটতি মিটিয়ে আপিল করা যায়, অথবা নতুন করে আবেদন করা যায়। আপিলের সময়সীমা (প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪৫ দিন) অফিসে মিলিয়ে নিন।

নাম ও ঠিকানা একসঙ্গে সংশোধন করা যাবে?
যাবে, এবং সেটিই সাশ্রয়ী — একই আবেদনে দুই ধরনের ফি যোগ হয় (প্রথমবার ২৩০ + ১১৫ = ৩৪৫ টাকা)। আলাদা করলে দ্বিতীয় আবেদনে হার বেড়ে যায়।

একই তথ্য দুবার সংশোধন করা যায়?
সাধারণ ক্ষেত্রে পুনরায় আবেদনের সুযোগ থাকলেও প্রতিবার ফি-র হার বাড়ে এবং যাচাই কঠোর হয়। নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম ও জন্ম তারিখের সম্পূর্ণ পরিবর্তন একবার হয়ে গেলে একই ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার সংশোধন অনুমোদনের সুযোগ নেই বললেই চলে — তাই প্রথম আবেদনেই নির্ভুল তথ্য দেওয়া জরুরি।

সংশোধনের পর স্মার্ট কার্ড কবে পাব?
অনলাইন কপি অনুমোদনের পরপরই পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা যায়। ছাপানো স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হতে আলাদা সময় লাগে; প্রস্তুত হলে SMS-এ জানানো হয় এবং নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

পুরনো ১৩ ডিজিটের এনআইডি নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন হবে?
হবে — নম্বরের সামনে নিজের জন্মসাল যোগ করে ১৭ ডিজিটের আকারে ব্যবহার করতে হয়। তাতেও সমস্যা হলে ১০৫ হেল্পলাইন বা নির্বাচন অফিস থেকে সঠিক নম্বর জেনে নিন।

তথ্যসূত্র

  • এনআইডি অনলাইন সেবা পোর্টাল — services.nidw.gov.bd
  • জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ — nidw.gov.bd
  • নির্বাচন কমিশনের সংশোধন-সংক্রান্ত নির্দেশনা, আগস্ট ২০২৬ (জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্যাটাগরি পুনর্বিন্যাস)
  • নির্বাচন কমিশনের আবেদন নিষ্পত্তির হালনাগাদ পরিসংখ্যান, অক্টোবর ২০২৬
  • এনআইডি হেল্পলাইন — ১০৫

লেখক: মামুন স্ক, সম্পাদক, JobKhobor। JobKhobor কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়; এই লেখা শুধুমাত্র তথ্যগত সহায়তার জন্য। আবেদনের আগে অফিসিয়াল পোর্টালের সর্বশেষ নির্দেশনা মিলিয়ে নিন।

এনআইডিNID Cardসংশোধনভোটার আইডিজাতীয় পরিচয়পত্র

মন্তব্য

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

মন্তব্য করতে আপনার Gmail ঠিকানা দিন — ইমেইলে একবার ব্যবহারের সাইন-ইন লিংক যাবে, তাতে ক্লিক করলেই যাচাই হয়ে যাবে। পাসওয়ার্ড লাগবে না।