0
জবখবর · JobKhobor
⚡ লাইভ
এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে ২০২৬ — কাগজপত্রের পূর্ণ তালিকাএনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়মNID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইডজন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৬ — মোবাইল ও কম্পিউটারে ধাপে ধাপেনতুন পোস্ট প্রতিদিন — চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবার যাচাই করা তথ্যএনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে ২০২৬ — কাগজপত্রের পূর্ণ তালিকাএনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়মNID Card সংশোধন করার নিয়ম ২০২৬ — অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের সম্পূর্ণ গাইডজন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৬ — মোবাইল ও কম্পিউটারে ধাপে ধাপেনতুন পোস্ট প্রতিদিন — চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবার যাচাই করা তথ্য
ভোটার ও এনআইডি

এনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়ম

এনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা ২০২৬ — ভ্যাটসহ পূর্ণ তালিকা ও পেমেন্টের নিয়ম

এনআইডি কার্ড সংশোধনের ফি নিয়ে ইন্টারনেটে খুঁজলে একেক ওয়েবসাইটে একেক সংখ্যা পাওয়া যায়। কোথাও লেখা ২০০ টাকা, কোথাও ২৩০ টাকা, আবার কোথাও শুধু "সরকারি ফি" বলে পরিমাণটাই উল্লেখ নেই। আবেদন করতে বসে এই বিভ্রান্তিই সবচেয়ে বড় ঝামেলা — বিকাশে ব্যালান্স ঠিক কত রাখতে হবে, পোর্টাল পর্দায় ভিন্ন অঙ্ক দেখালে কোনটা ঠিক, একাধিক ভুল একসঙ্গে ঠিক করলে ফি কি প্রতিটির জন্য আলাদা করে যোগ হবে — এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না পেলে আবেদন অর্ধেকে আটকে যায়। এই লেখায় ফি-র পুরো কাঠামোটা ভেঙে দেওয়া হলো: কোন সংশোধনে কত ফি, মূল ফি-র ওপর ভ্যাটের হিসাব কীভাবে কাজ করে, কেন বিভিন্ন সাইটে ভিন্ন সংখ্যা দেখা যায়, একসঙ্গে ও আলাদা আলাদা আবেদনের খরচের পার্থক্য, এবং বিকাশ, রকেট বা নগদে ধাপে ধাপে ফি পরিশোধের নিয়ম। পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে জানতে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম গাইডটি দেখে নেওয়া যেতে পারে; এই লেখাটি শুধু ফি ও পেমেন্ট অংশের ওপর কেন্দ্রীভূত।

সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩ নভেম্বর ২০২৬। ফি-র হার সরকারি সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে — আবেদনের সময় পোর্টালের পর্দায় দেখানো পরিমাণই চূড়ান্ত।

এক নজরে এনআইডি সংশোধন ফি

  • কার্ডে ছাপা তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম ইত্যাদি): প্রথমবার ২৩০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩৪৫ টাকা, তৃতীয়বার বা তার বেশি ৫৭৫ টাকা — সবই ভ্যাটসহ
  • অন্যান্য তথ্য (কার্ডে ছাপা হয় না এমন সংরক্ষিত তথ্য): প্রথমবার ১১৫ টাকা, দ্বিতীয়বার ১৭৫ টাকা, তৃতীয়বার বা তার বেশি ৩০০ টাকা
  • কার্ড পুনঃইস্যু (হারানো বা নষ্ট হলে): প্রথমবার ৩৪৫ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫৭৫ টাকা, তৃতীয়বার বা তার বেশি ১,১৫০ টাকা
  • ভ্যাট: মূল ফি-র ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ হয় — যেমন মূল ফি ২০০ টাকার সঙ্গে ভ্যাট মিলে দাঁড়ায় ২৩০ টাকা
  • পেমেন্টের মাধ্যম: বিকাশ, রকেট, নগদ — সরকারি ফি হিসেবে NID Service-এ পরিশোধ
  • মনে রাখতে হবে: শুধু ফি পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হয় না; কাগজপত্র আপলোড করে সাবমিট করা পর্যন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয় না

এই লেখায় যা যা আছে

  • ফি নির্ধারণের দুটি ভিত্তি — তথ্যের শ্রেণি ও আবেদনের ক্রম
  • ভ্যাটসহ পূর্ণ ফি-র তালিকা
  • মূল ফি ও ভ্যাটের হিসাব, বিভিন্ন সাইটে ভিন্ন সংখ্যা দেখানোর কারণ
  • একাধিক সংশোধন একসঙ্গে করলে ফি-র হিসাব
  • আলাদা আলাদা আবেদনে খরচ কেন বেশি পড়ে
  • কার্ড পুনঃইস্যুর ফি
  • আবেদনের কোন ধাপে ফি দিতে হয়
  • বিকাশ, রকেট ও নগদে ফি পরিশোধের নিয়ম
  • পেমেন্টে ভুল হলে বা লেনদেন ব্যর্থ হলে করণীয়
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফি নির্ধারণ হয় দুটি বিষয়ের ওপর

সংশোধনের ফি কোনো একক সংখ্যা নয়; এটি ঠিক হয় দুটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে। প্রথম প্রশ্ন — যে তথ্যটি বদলাতে চাইছেন, তা কোন শ্রেণিতে পড়ে? নিজের নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম, স্বামী বা স্ত্রীর নাম ও জন্মস্থান কার্ডে ছাপা তথ্যের শ্রেণিতে পড়ে; এই তথ্যের ওপর দাঁড়িয়েই ব্যাংক, পাসপোর্ট অফিস ও নিয়োগকর্তা পরিচয় যাচাই করে। তাই এই শ্রেণির সংশোধনে যাচাই কঠোর এবং ফি-ও তুলনামূলক বেশি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে রয়েছে সংরক্ষিত তথ্য — ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মোবাইল নম্বর, পাসপোর্ট নম্বরসহ ডাটাবেসে থাকা অন্যান্য বিবরণ ফি-র হিসাবে এই শ্রেণিতেই ধরা হয়। এগুলো সরাসরি কার্ডে দেখা যায় না বলে যাচাইয়ের চাপ কম, ফি-ও কম।

দ্বিতীয় প্রশ্ন — এটি আপনার কততম সংশোধন আবেদন? প্রথমবারের হারে ফি সবচেয়ে কম; দ্বিতীয়বার আবেদনে হার বাড়ে, তৃতীয়বার বা তার পরের আবেদনে হার আরও বেশি। এই ক্রমবর্ধমান কাঠামোর যুক্তি হলো, বারবার সংশোধনের আবেদন মানেই প্রতিবার নতুন করে যাচাই, নথি পরীক্ষা ও সিদ্ধান্তের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া — এবং ভুল তথ্য দিয়ে একবার কার্ড হয়ে যাওয়ার পর আবার বদলানোর ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সতর্কতাও বেশি থাকে। বাস্তব পরিণতি হলো একটাই: প্রথম আবেদনেই সব ভুল একসঙ্গে ও নির্ভুলভাবে জমা দেওয়া সবচেয়ে সাশ্রয়ী পথ। এই একটি সিদ্ধান্ত কীভাবে শত শত টাকা বাঁচাতে পারে, তার হিসাব নিচের দুটি অংশে উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে।

ভ্যাটসহ পূর্ণ ফি-র তালিকা

নিচের তালিকার প্রতিটি সংখ্যা ভ্যাটসহ — অর্থাৎ পোর্টালে আবেদনের সময় যে পরিমাণ পরিশোধের কথা বলা হবে, তার কাছাকাছি ধারণা এই টেবিল থেকেই পাওয়া যাবে। আবেদনের ক্রম অনুযায়ী কলাম তিনটি ভাগ করা: প্রথমবার, দ্বিতীয়বার এবং তৃতীয়বার বা তার বেশি।

সংশোধনের ধরনপ্রথমবারদ্বিতীয়বারতৃতীয়বার বা তার বেশি
কার্ডে ছাপা তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম ইত্যাদি)২৩০ টাকা৩৪৫ টাকা৫৭৫ টাকা
অন্যান্য তথ্য (ঠিকানা, রক্তের গ্রুপসহ সংরক্ষিত তথ্য)১১৫ টাকা১৭৫ টাকা৩০০ টাকা
কার্ড পুনঃইস্যু (হারানো বা নষ্ট হলে)৩৪৫ টাকা৫৭৫ টাকা১,১৫০ টাকা

টেবিল পড়ার সময় একটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার — "দ্বিতীয়বার" বা "তৃতীয়বার" বলতে একই তথ্য বারবার বদলানো বোঝায় না শুধু; এটি সামগ্রিকভাবে সংশোধন আবেদনের ক্রম। আগেও একবার সংশোধনের আবেদন করে থাকলে পরের আবেদনটি উচ্চতর হারেই পড়বে। অতীতে কবার আবেদন করেছেন তা মনে না থাকলে পোর্টালে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে আবেদনের ইতিহাস দেখে নেওয়া যায়, আর পোর্টাল নিজেই প্রযোজ্য হার ধরে পরিমাণ দেখায় — তাই চূড়ান্ত নির্ভরযোগ্য উৎস পোর্টালের পর্দাটাই।

মূল ফি ও ভ্যাটের হিসাব — ২০০ না ২৩০?

ফি নিয়ে সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তির উৎস হলো ভ্যাট। সরকারি তালিকায় মূল ফি যে সংখ্যায় ঘোষিত, আবেদনকারীকে পরিশোধ করতে হয় তার সঙ্গে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) যোগ করে। কার্ডে ছাপা তথ্য সংশোধনের মূল ফি প্রথমবার ২০০ টাকা; এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট হলো ৩০ টাকা — মোট দাঁড়ায় ২৩০ টাকা। পোর্টালে আবেদনের পর্দায় এই ২৩০ টাকাই দেখানো হয়, কারণ পরিশোধযোগ্য পরিমাণ সবসময় ভ্যাটসহ হিসাবেই আসে। একই হিসাবে দ্বিতীয়বারের মূল ফি ৩০০ টাকার সঙ্গে ভ্যাট ৪৫ টাকা মিলে ৩৪৫ টাকা, তৃতীয়বারের মূল ফি ৫০০ টাকার সঙ্গে ভ্যাট ৭৫ টাকা মিলে ৫৭৫ টাকা। অন্যান্য তথ্যের ক্ষেত্রে প্রথমবার মূল ফি ১০০ টাকা ও ভ্যাট ১৫ টাকা মিলে ১১৫ টাকা। পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে মূল ফি-র ক্রম ৩০০, ৫০০ ও ১,০০০ টাকা — ভ্যাটসহ যা দাঁড়ায় যথাক্রমে ৩৪৫, ৫৭৫ ও ১,১৫০ টাকা।

সংশোধনের ধরনমূল ফি (১ম / ২য় / ৩য় বার)১৫% ভ্যাটভ্যাটসহ মোট (১ম / ২য় / ৩য় বার)
কার্ডে ছাপা তথ্য২০০ / ৩০০ / ৫০০ টাকামূল ফি-র ওপর ১৫%২৩০ / ৩৪৫ / ৫৭৫ টাকা
কার্ড পুনঃইস্যু৩০০ / ৫০০ / ১,০০০ টাকামূল ফি-র ওপর ১৫%৩৪৫ / ৫৭৫ / ১,১৫০ টাকা
অন্যান্য তথ্যপ্রথমবার ১০০ টাকাপ্রথমবার ১৫ টাকাপ্রথমবার ১১৫ টাকা; পরের বারগুলোতে ১৭৫ ও ৩০০ টাকা

এই হিসাব জানা থাকলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যার রহস্য পরিষ্কার হয়। কোনো সাইট মূল ফি-র তালিকা তুলে দেয় ভ্যাটের উল্লেখ ছাড়াই — সেখানে দেখা যায় ২০০ টাকা। কোনো সাইট ভ্যাটসহ তালিকা দেয় — সেখানে ২৩০ টাকা। দুটোই নিজের জায়গায় সঠিক, শুধু ভিত্তিটা আলাদা। আবার কিছু পুরনো পেজে আগের হারের সংখ্যা রয়ে গেছে, যা বর্তমান পোর্টালের সঙ্গে মিলবে না। ব্যবহারিক নিয়মটি সরল: আবেদনের প্রস্তুতিতে ভ্যাটসহ তালিকা ধরে ব্যালান্স রাখুন, আর পরিশোধের মুহূর্তে পোর্টালের পর্দায় দেখানো পরিমাণটিকেই চূড়ান্ত ধরুন। হিসাবে দুই-এক টাকার হেরফের কোথাও দেখা গেলেও পোর্টালের সংখ্যাটিই প্রযোজ্য, কারণ ফি সংগ্রহের হিসাব পোর্টালের সিস্টেমেই মেলানো হয়।

একাধিক সংশোধন একসঙ্গে করলে ফি কীভাবে হিসাব হয়

অনেকের কার্ডে একটি নয়, একাধিক ভুল থাকে — নামে বানান ভুলের পাশাপাশি ঠিকানাও পুরনো, কিংবা জন্ম তারিখের সঙ্গে পিতার নামেও অমিল। এসব ভুল একই আবেদনে একসঙ্গে সংশোধনের সুযোগ পোর্টালে রয়েছে, আর ফি-র হিসাব সেখানেই আকর্ষণীয়। নিয়মটি হলো: একই আবেদনে দুই শ্রেণির সংশোধন থাকলে দুই অংশের ফি যোগ হয়; একই শ্রেণির একাধিক তথ্য বদলালেও সেই শ্রেণির ফি একবারই ধরা হয়। কয়েকটি বাস্তব উদাহরণে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক।

যা সংশোধন করতে চানএকই আবেদনে ফিহিসাব
শুধু নাম২৩০ টাকাকার্ডের তথ্য, প্রথমবার
নাম ও পিতা-মাতার নাম২৩০ টাকাদুটোই কার্ডের তথ্য — একই শ্রেণির ফি একবার
নাম ও ঠিকানা৩৪৫ টাকাকার্ডের তথ্য ২৩০ + ঠিকানা অংশ ১১৫
জন্ম তারিখ ও নাম২৩০ টাকাদুটোই কার্ডের তথ্য — একই শ্রেণির ফি একবার

জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে একটি বাড়তি খবর আছে। আগস্ট ২০২৬-এর নির্দেশনার পর অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি বা এসএসসি সনদের ভিত্তিতে জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদন উপজেলা পর্যায়েই নিষ্পত্তি হতে পারে — ফি-র হার একই থাকলেও সিদ্ধান্তের গতি বদলেছে। জন্ম তারিখ সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়াটি জানতে এনআইডি কার্ডে জন্ম তারিখ সংশোধন করার নিয়ম লেখাটি প্রাসঙ্গিক। ফি নিয়ে ফিরে আসা যাক — ওপরের উদাহরণগুলোর মধ্যে নাম ও ঠিকানার যুগলটি বিশেষভাবে মনে রাখার মতো, কারণ বাস্তবে এই সংমিশ্রণটিই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়: আগে অন্য শহরে থেকে এখন স্থানান্তরিত হয়েছেন, ঠিকানা বদলাতে গিয়ে দেখলেন নামেও ছোট্ট একটি বানান ভুল আছে। দুটো একসঙ্গে জমা দিলে খরচ একটি আবেদনের কাঠামোতেই মিটে যায়; আলাদা করলে কী হয়, সেটি পরের অংশের বিষয়।

আলাদা আলাদা আবেদন করলে খরচ কেন বেশি পড়ে

ধরুন, কারো নামে বানান ভুল এবং ঠিকানাও বদলাতে হবে। তাড়াহুড়ো করে তিনি প্রথমে শুধু নাম সংশোধনের আবেদন করলেন — প্রথমবারের হারে ফি গেল ২৩০ টাকা। কয়েক মাস পর ঠিকানা বদলানোর কথা মনে পড়লে সেটি হবে তার দ্বিতীয় সংশোধন আবেদন, যেখানে হার প্রথমবারের চেয়ে বেশি। এভাবে প্রতিটি আলাদা আবেদন ক্রমের পরের ধাপে পড়ে, আর মোট খরচ একই কাজ একসঙ্গে করার চেয়ে বেড়ে যায়। খরচের পাশাপাশি সময়ের অপচয়ও কম নয় — প্রতিটি আবেদন মানেই নতুন করে কাগজপত্র আপলোড, যাচাইয়ের অপেক্ষা এবং স্ট্যাটাস পর্যবেক্ষণ। একটি আবেদনে সব ভুল শেষ হলে এই পুরো চক্রটি একবারই পার হতে হয়।

এই কারণে অভিজ্ঞ পরামর্শ একটাই: আবেদন শুরুর আগে কার্ডের প্রতিটি তথ্য মনোযোগ দিয়ে মিলিয়ে দেখুন — বাংলা ও ইংরেজি নামের বানান, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ। কোথাও সামান্য অমিল থাকলেও সেটি এই আবেদনেই ঢুকিয়ে দিন। আবেদন একবার জমা পড়ে গেলে পরে নতুন ভুল চোখে পড়লে সেটি আরেকটি আবেদন, আরেক ধাপ বেশি ফি। ফি-র এই কাঠামোটি আসলে আবেদনকারীকে একবারে নির্ভুল আবেদনের দিকেই ঠেলে দেয় — সেটি মেনে চললে অর্থ ও সময় দুটোই বাঁচে। জমা দেওয়ার আগে প্রমাণপত্রের দিকটিও মিলিয়ে নেওয়া দরকার, কারণ কাগজপত্রের ঘাটতিতে আবেদন বাতিল হলে পুনরায় আবেদনের খরচের প্রশ্ন আবার সামনে আসে; আবেদনের সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম গাইডে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

কার্ড পুনঃইস্যুর ফি — সংশোধনের ফি থেকে আলাদা

কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে সেটি সংশোধন নয়, পুনঃইস্যু — একই কার্ডের তথ্য অপরিবর্তিত রেখে নতুন করে কার্ড ইস্যু করা। এই সেবার ফি সংশোধনের তালিকা থেকে আলাদা: প্রথমবার ৩৪৫ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫৭৫ টাকা, তৃতীয়বার বা তার বেশি ১,১৫০ টাকা (ভ্যাটসহ)। এখানেও একই যুক্তি কাজ করে — বারবার কার্ড হারানোর ক্ষেত্রে যাচাই কঠোর হয় এবং হার বাড়ে। দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না: তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধন আবেদন, কার্ড হাতে না থাকলে পুনঃইস্যু। কারো কার্ড হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তথ্যেও ভুল থাকলে দুটি বিষয় আলাদা প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হতে পারে — এমন পরিস্থিতিতে আবেদনের আগে হেল্পলাইন ১০৫-এ ফোন করে অথবা উপজেলা নির্বাচন অফিসে জেনে নেওয়া নিরাপদ, যাতে ভুল খাতে ফি জমা না পড়ে।

ফি ছাড়া কি কোনো সংশোধন হয়

সরাসরি উত্তর: সংশোধন আবেদনের ক্ষেত্রে ফি-মুক্ত কোনো শ্রেণির কথা অফিসিয়াল তথ্যসূত্রে পাওয়া যায় না। ছোট হোক বা বড়, প্রতিটি সংশোধন আবেদনেই নির্ধারিত হারে ফি প্রযোজ্য এবং পরিমাণটি পোর্টাল আবেদনের পর্দায় দেখিয়ে দেয়। কোনো ব্যক্তি বা দোকান থেকে "ফি ছাড়াই সংশোধন করে দেওয়া" হবে এমন প্রস্তাব এলে সতর্ক থাকুন — অফিসিয়াল পোর্টালের বাইরে সংশোধনের কোনো বিকল্প পথ নেই, আর পোর্টালের বাইরে পরিশোধিত অর্থের কোনো সরকারি হিসাব থাকে না। প্রথমবার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন করা আর বিদ্যমান কার্ডের তথ্য সংশোধন করা দুটি আলাদা বিষয়; এই লেখার ফি-র তালিকা শুধু সংশোধন ও পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আবেদনের কোন ধাপে ফি দিতে হয়

ফি পরিশোধ আবেদন প্রক্রিয়ার মাঝামাঝি একটি ধাপ — শুরুতে নয়, একদম শেষেও নয়। services.nidw.gov.bd পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে লগইন করার পর প্রোফাইলের Edit অপশনে গিয়ে সংশোধনের তথ্য বসানো হয়। এডিট সম্পন্ন হলে পোর্টাল আপনার সংশোধনের শ্রেণি ও আবেদনের ক্রম অনুযায়ী প্রযোজ্য ফি-র পরিমাণ পর্দায় দেখায়। এই পরিমাণটি দেখে নিশ্চিত হওয়ার পরই পেমেন্ট করতে হয়। ফি জমা পড়ার পর প্রমাণপত্র আপলোডের ধাপ আসে, এবং সবশেষে আবেদন সাবমিট করা হয়। অর্থাৎ ধারাবাহিকতা হলো: তথ্য এডিট → ফি-র পরিমাণ দেখা → ফি পরিশোধ → কাগজপত্র আপলোড → সাবমিট।

এই ধারাবাহিকতা জানা জরুরি একটি বিশেষ কারণে — শুধু ফি পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হয় না। বাস্তবে বহু আবেদনকারী পেমেন্ট শেষ করে কাজ শেষ ভেবে বেরিয়ে যান; কাগজপত্র আপলোড ও সাবমিট বাকি থেকে যায়, ফলে আবেদনটি প্রক্রিয়াতেই ঢোকে না। পেমেন্টের পর পোর্টালে ফিরে এসে বাকি ধাপগুলো শেষ করা হয়েছে কিনা যাচাই করুন, এবং সাবমিট সফল হলে আবেদন নম্বরসহ কপিটি সংরক্ষণ করুন। আবেদন নম্বর, পেমেন্টের ট্রানজেকশন নম্বর ও রসিদ — এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে রাখলে পরবর্তী যেকোনো অনুসন্ধানে কাজ সহজ হয়।

বিকাশে ফি পরিশোধের নিয়ম — ধাপে ধাপে

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ফি পরিশোধের সবচেয়ে পরিচিত মাধ্যম বিকাশ। আবেদনের পর্দায় ফি-র পরিমাণ দেখার পর নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে পেমেন্ট সম্পন্ন করা যায়:

  • ধাপ ১: বিকাশ অ্যাপে লগইন করে Pay Bill অপশনে যান
  • ধাপ ২: বিলের ধরন থেকে সরকারি ফি বেছে নিন
  • ধাপ ৩: সেবার তালিকা থেকে NID Service নির্বাচন করুন
  • ধাপ ৪: নিজের এনআইডি নম্বরটি সতর্কভাবে বসান — এই নম্বরের বিপরীতেই ফি জমা হবে, ভুল নম্বর মানেই ভুল খাতে টাকা
  • ধাপ ৫: পোর্টালে দেখানো ফি-র পরিমাণের সঙ্গে মিলিয়ে টাকার অঙ্ক বসান
  • ধাপ ৬: বিকাশ PIN দিয়ে পেমেন্ট নিশ্চিত করুন
  • ধাপ ৭: পেমেন্ট সফল হলে রসিদ ও ট্রানজেকশন নম্বরটি স্ক্রিনশট বা লিখে সংরক্ষণ করুন

পেমেন্টের আগে ব্যালান্স যাচাই করে নিন — ফি-র পরিমাণের চেয়ে কম ব্যালান্স থাকলে লেনদেন মাঝপথে ব্যর্থ হতে পারে। এনআইডি নম্বর বসানোর ধাপে সবচেয়ে বেশি সতর্কতা দরকার; অন্য কারো নম্বরে ফি জমা পড়লে সেই টাকা নিজের আবেদনে যুক্ত করার প্রক্রিয়া জটিল। পেমেন্ট শেষে পোর্টালে ফিরে গিয়ে আবেদনের অবস্থায় ফি জমা হয়েছে কিনা দেখে নিন, তারপর কাগজপত্র আপলোড ও সাবমিটের ধাপে যান।

রকেট ও নগদে ফি পরিশোধ

বিকাশ ছাড়াও রকেট ও নগদে একই সরকারি সেবায় ফি জমা দেওয়া যায়। দুটি মাধ্যমেই মূল কাঠামো একই — সংশ্লিষ্ট অ্যাপের বিল পেমেন্ট বা সরকারি ফি অংশে গিয়ে NID Service নির্বাচন করে এনআইডি নম্বর ও পরিমাণ বসিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়। অ্যাপের সংস্করণভেদে মেনুর নাম বা অবস্থানে সামান্য তারতম্য থাকতে পারে; NID Service অপশনটি খুঁজে পেতে সরকারি ফি বা বিল পেমেন্ট বিভাগটিই সঠিক জায়গা। কোন মাধ্যমে পেমেন্ট করছেন তা বিবেচনার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিটি ক্ষেত্রে একই সতর্কতা: এনআইডি নম্বর যাচাই, পরিমাণ মেলানো এবং রসিদ সংরক্ষণ। যে মাধ্যমেই ফি দিন না কেন, পেমেন্টের প্রমাণ হিসেবে ট্রানজেকশন নম্বরটি আবেদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেখে দিন।

একটি সতর্কতা সব মাধ্যমের জন্যই প্রযোজ্য: ফি সবসময় অফিসিয়াল সেবা চ্যানেলে পরিশোধ করুন। কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে Send Money করে ফি পরিশোধ হয় না — এমনভাবে পাঠানো টাকা পোর্টালের হিসাবে জমা পড়ে না, ফলে আবেদনও এগোয় না, অর্থও ফেরত পাওয়া কঠিন হয়। দোকান বা এজেন্টের সাহায্য নিলেও নিশ্চিত হয়ে নিন পেমেন্টটি সরকারি ফি হিসেবে NID Service-এই যাচ্ছে, এবং রসিদটি নিজের হাতে নিন।

পেমেন্টে ভুল হলে বা লেনদেন ব্যর্থ হলে করণীয়

অনলাইন পেমেন্টে মাঝে মাঝে সমস্যা হয় — নেটওয়ার্ক বিঘ্নে লেনদেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়, অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে গেলেও পোর্টালে জমা দেখায় না, কিংবা তাড়াহুড়োয় ভুল পরিমাণ বসে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয়বার পেমেন্ট করা সবচেয়ে বড় ভুল; আগে যাচাই করে নিন প্রথম লেনদেনটি আসলে কোন অবস্থায় আছে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা যুক্তিসংগত:

  • লেনদেনের রসিদ, ট্রানজেকশন নম্বর, তারিখ-সময় ও পরিমাণ — সব তথ্য সংরক্ষণ করুন; স্ক্রিনশট থাকলে সেটিও রাখুন
  • পোর্টালে লগইন করে আবেদনের অবস্থা দেখুন — অনেক ক্ষেত্রে পেমেন্ট পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে, অবস্থা হালনাগাদ হলেই তা বোঝা যায়
  • টাকা কেটে যাওয়ার পরও জমা না দেখালে পেমেন্ট মাধ্যমের (বিকাশ, রকেট বা নগদ) নিজস্ব গ্রাহক সেবায় ট্রানজেকশন নম্বর দিয়ে লেনদেনের অবস্থা যাচাই করুন
  • তারপরও সমাধান না হলে এনআইডি হেল্পলাইন ১০৫-এ (সরকারি কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা) ফোন করে আবেদন নম্বর ও ট্রানজেকশন নম্বর জানিয়ে নির্দেশনা নিন; প্রয়োজনে কাগজপত্রসহ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন

মূলনীতি হলো, প্রমাণ হাতে রেখে ধাপে ধাপে যাচাই করা। ট্রানজেকশন নম্বর ছাড়া কোনো পক্ষই লেনদেনটি খুঁজে বের করতে পারে না — তাই পেমেন্টের প্রতিটি প্রমাণ সযত্নে রাখা ফি পরিশোধেরই অংশ। আরেকবার মনে করিয়ে দেওয়া ভালো: যাচাই শেষ হওয়ার আগে একই ফি দ্বিতীয়বার পরিশোধ করবেন না, কারণ দ্বিগুণ জমা পড়লে অতিরিক্ত অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

NID card correction fee — সারসংক্ষেপ ইংরেজিতে

যারা Google-এ "nid card correction fee" বা "nid correction fee in bangladesh" লিখে খোঁজেন, তাঁদের জন্য সারকথা: the fee depends on what is being corrected and whether it is a first, second or later application. For information printed on the card, the VAT-inclusive fee is ৳230 for the first application, ৳345 for the second and ৳575 for the third or more. For other information it is ৳115, ৳175 and ৳300, and a card re-issue costs ৳345, ৳575 and ৳1,150 respectively. The figures shown as ৳200 or ৳300 on some websites are the base fees before 15% VAT. Payment is made as a government fee to NID Service through bKash, Rocket or Nagad, and paying the fee alone does not complete the application — documents must still be uploaded and the application submitted on services.nidw.gov.bd. আবেদনের পর্দায় পোর্টাল যে পরিমাণ দেখাবে, সেটিই চূড়ান্ত।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

এনআইডি কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা?
কার্ডে ছাপা তথ্যের জন্য প্রথমবার ২৩০ টাকা, অন্যান্য তথ্যের জন্য ১১৫ টাকা (ভ্যাটসহ)। দ্বিতীয়বার থেকে হার বাড়ে — পূর্ণ তালিকা ওপরের টেবিলে দেওয়া আছে। পোর্টালে দেখানো পরিমাণই চূড়ান্ত।

nid card correction fee কোথাও ২০০ টাকা, কোথাও ২৩০ টাকা — কোনটা ঠিক?
দুটোই ঠিক, ভিত্তি আলাদা। ২০০ টাকা হলো মূল ফি, তার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে পরিশোধের পরিমাণ ২৩০ টাকা। পোর্টালে ভ্যাটসহ পরিমাণটিই দিতে হয়।

নাম ও জন্ম তারিখ একসঙ্গে সংশোধন করলে ফি কত হবে?
দুটোই কার্ডে ছাপা তথ্য, তাই একই আবেদনে একই শ্রেণির ফি একবারই ধরা হয় — প্রথমবার হলে ২৩০ টাকা। নামের সঙ্গে ঠিকানার মতো ভিন্ন শ্রেণির সংশোধন যোগ হলে দুই অংশের ফি যোগ হয় (যেমন নাম ও ঠিকানা একসঙ্গে ৩৪৫ টাকা)।

দ্বিতীয়বার সংশোধনে ফি বেশি কেন?
ফি-র কাঠামোই ক্রম অনুযায়ী বাড়ে — প্রতিটি নতুন আবেদনে নতুন করে যাচাই ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলে। সেজন্যই সব ভুল প্রথম আবেদনেই একসঙ্গে ঠিক করা সাশ্রয়ী।

কার্ড হারিয়ে গেলে নতুন কার্ড পেতে ফি কত?
এটি সংশোধন নয়, পুনঃইস্যু। ফি প্রথমবার ৩৪৫ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫৭৫ টাকা, তৃতীয়বার বা তার বেশি ১,১৫০ টাকা (ভ্যাটসহ)।

ফি কি বিকাশ ছাড়া অন্য মাধ্যমে দেওয়া যায়?
যায়। রকেট ও নগদেও সরকারি ফি হিসেবে NID Service-এ ফি জমা দেওয়া যায়। যেকোনো মাধ্যমেই এনআইডি নম্বর যাচাই করে পেমেন্ট করুন এবং রসিদ সংরক্ষণ করুন।

ফি পরিশোধ করলেই কি আবেদন সম্পন্ন হয়ে যায়?
না। ফি পরিশোধ প্রক্রিয়ার মাঝের একটি ধাপ। এরপর প্রমাণপত্র আপলোড করে আবেদন সাবমিট করতে হয়; সাবমিট নিশ্চিত না হলে আবেদন সম্পূর্ণ হয় না।

পেমেন্টে টাকা কেটে গেছে কিন্তু পোর্টালে জমা দেখাচ্ছে না — কী করব?
আবার পেমেন্ট না করে প্রথমে রসিদ ও ট্রানজেকশন নম্বর সংরক্ষণ করুন, পোর্টালে আবেদনের অবস্থা যাচাই করুন, তারপর পেমেন্ট মাধ্যমের গ্রাহক সেবায় লেনদেনের অবস্থা জেনে নিন। সমাধান না হলে হেল্পলাইন ১০৫-এ যোগাযোগ করুন।

ফি ছাড়া কি এনআইডি সংশোধন করা যায়?
অফিসিয়াল তথ্যে সংশোধনের জন্য ফি-মুক্ত কোনো শ্রেণি নেই; প্রতিটি আবেদনেই নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য। পোর্টালের বাইরে কেউ ফি ছাড়া সংশোধনের প্রস্তাব দিলে সতর্ক থাকুন।

তথ্যসূত্র

  • এনআইডি অনলাইন সেবা পোর্টাল — services.nidw.gov.bd
  • জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ — nidw.gov.bd
  • নির্বাচন কমিশনের সংশোধন-সংক্রান্ত নির্দেশনা, আগস্ট ২০২৬ (জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্যাটাগরি পুনর্বিন্যাস)
  • নির্বাচন কমিশনের আবেদন নিষ্পত্তির হালনাগাদ পরিসংখ্যান, অক্টোবর ২০২৬
  • এনআইডি হেল্পলাইন — ১০৫

লেখক: মামুন স্ক, সম্পাদক, JobKhobor। JobKhobor কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়; এই লেখা শুধুমাত্র তথ্যগত সহায়তার জন্য। ফি-র হার বদলাতে পারে — আবেদনের আগে অফিসিয়াল পোর্টালের সর্বশেষ নির্দেশনা মিলিয়ে নিন।

এনআইডিNID Cardসংশোধন ফিভোটার আইডিজাতীয় পরিচয়পত্র

মন্তব্য

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

মন্তব্য করতে আপনার Gmail ঠিকানা দিন — ইমেইলে একবার ব্যবহারের সাইন-ইন লিংক যাবে, তাতে ক্লিক করলেই যাচাই হয়ে যাবে। পাসওয়ার্ড লাগবে না।